আবারো শুরু হয়েছে দেশব্যাপী বিনামূল্যে ফ্রিল্যান্সিং কোর্স প্রশিক্ষণ, মাত্র ৫৪০ টাকা রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ১৬টি কোর্সের যেকোনটিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ। বিস্তারিত: Pro-offer আমাদের প্রথম দিকের নাম্বারগুলোর বিকাশ লিমিট শেষ, তাই টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে শেষের নাম্বারগুলোতে পাঠাবেন। কিভাবে লাইভ ক্লাসে জয়েন করবেন, দেখুন এখানে

ওয়েব ডিজাইন কি? কিভাবে শিখবেন ওয়েব ডিজাইন?

ওয়েব ডিজাইন মানে হচ্ছে একটা ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে বা এর সাধারন রূপ কেমন হবে তা নির্ধারণ করা।

ওয়েব ডিজাইন:

ওয়েব ডিজাইন হচ্ছে একটা ওয়েবসাইটের জন্য বাহ্যিক অবকাঠামো তৈরী করা । ওয়েব ডিজাইন মানে হচ্ছে একটা ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে বা এর সাধারন রূপ কেমন হবে তা নির্ধারণ করা। অর্থাৎ ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে বা এর সাধারন রূপ কেমন হবে তা নির্ধারণ করা । ওয়েব ডিজাইনারের মুল কাজ একটা পূর্ণাঙ্গ ওয়েব সাইটের টেম্পলেট তৈরি করা, যেমন এটার লেয়াউট কেমন হবে, হেডারে কোথায় মেনু কেমন হবে, সাইডবার হবে কিনা এবং ইমেজগুলো কিভাবে প্রদর্শন করবে ইত্যাদি । ওয়েব ডিজাইনে কোন এপ্লিকেশন থাকবেনা । যেমন লগিন সিস্টেম, ফাইল আপলোড করে ডেটাবেসে সেভ করা, ইমেজ ম্যানিপুলেশন, যদি সাইটে বিজ্ঞাপন থাকে তাহলে প্রতিবার পেজ লোড হওয়ার সময় বিজ্ঞাপনের পরিবর্তন এগুলি এপ্লিকেশন বা ওয়েব এপ্লিকেশন । এসব তৈরী করতে হয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ দিয়ে । কোন প্রকার এপ্লিকেশন ছাড়া ওয়েব সাইট তৈরী করাকে ওয়েব ডিজাইন, এধরনের ডিজাইনকে বলতে পারেন স্টাটিক ডিজাইন । ওয়েব ডিজাইনের জন্য এই ধারনাটি সাধারনত ব্যবহৃত হয়ে থাকে । আর এই ডিজাইন নির্ধারণ করতে ব্যবহার করতে হবে কিছু প্রোগ্রামিং, স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজ এবং মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ।

 

ওয়েব ডিজাইন কিভাবে করতে হয়?

কিছু ভাষা ব্যবহার করে ওয়েব ডিজাইন করা হয়। এসব ভাষাকে কম্পিউটার এর ভাষা বা ওয়েব পেজ এর ভাষা ও বলতে পারেন। মানুষের যেমন আলাদা ভাষা আছে, সে তার ভাষা বোঝে। তেমনি ওয়েব পেজ এর ও আলাদা ভাষা আছে এবং সে সেই ভাষা বোঝে। ওই ভাষায় তাকে যা বলা হবে সে তাই করবে। যদি বলা হয় তোমার রং পাল্টাও সে তা পালটে দেবে। আপনাকে ওয়েব ডিজাইন করতে হলে এসব ভাষা জানতে বা শিখতে হবে। আর এসব ভাষা কম্পিউটার এ লিখে ওয়েব পেজ তৈরি করা হয়। কয়েকটি ওয়েব পেজ নিয়েই একটি ওয়েবসাইট। অনেক সময় মাত্র একটি পেজ নিয়েই একটি ওয়েবসাইট হতে পারে।

 

কেন হবেন ওয়েব ডিজাইনার?

ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কে জানার পর আপনার মনে প্রথম যে প্রশ্ন টি আশার কথা সেটি হল আমি ওয়েব ডিজাইনার কেন হব? ওয়েব ডিজাইনার হয়ে আমার লাভ? লাভ অবশ্যই আছে! লাভ ছাড়া কি কেও কখনো কোন কাজ করে? হয়তো আপনিও করবেন না। তাই আপনাকে লাভ গুলো আঙ্গুল তুলে দেখিয়ে দেই, তাহলে আপনার ওয়েব ডিজাইন হবার আগ্রহ অনেক গুন বেড়ে যাবে – গ্যারান্টি!!!

প্রথমেই আসি আয় প্রসঙ্গে।এটাই হয়তো আপনার প্রথম চিন্তা! আমার আয় কত হবে ওয়েব ডিজাইন শিখলে? আচ্ছা তাহলে আসুন কিছু তথ্য জেনে নেইঃ

একজন ওয়েব ডিজাইনার এর গড় বেতন ৭৭,০০০ ডলার। সর্বনিম্ন বেতন ৪০,০০০ডলার এবং সর্বোচ্চ বেতন ৮৫,০০০ ডলার।

কিছু উচ্চ বেতন প্রদানকারী দেশঃ

  • Philadelphia, PA: $79,717
  • San Francisco, CA: $79,551
  • New York, NY: $77,475

কিছু নিম্ন বেতন প্রদানকারী দেশঃ

  • San Juan, Puerto Rico: $48,965
  • Greensboro, NC: $55,489
  • Burlington, VT: $57,052

সুত্র – about.com ও indeed.com

বাংলাদেশ এর কোন ফার্ম এ একজন ওয়েব ডিজাইনার এর বেতন প্রায় ১৫০০০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৫০০০০ টাকা পর্যন্ত !

এবার নিশ্চই ওয়েব ডিজাইনার হবার ইচ্ছা শক্তি বেড়ে গেছে? দারান আরো বাকি আছে !

রয়েছে ফ্রীল্যান্স মার্কেট প্লেস এ কাজ করার সুযোগ। ফ্রীল্যান্স মার্কেট প্লেস এ আপনি কাজ করতে পারেন একজন ফ্রীল্যান্সার হিসেবে। ফ্রীল্যান্স মার্কেট প্লেস এ একজন ওয়েব ডিজাইনার এর ঘন্টায় রেট সর্বোচ্চ ৫০ ডলার পর্যন্ত (প্রায়) এর বেশি ও হতে পারে! মোটামোটি নতুনদের ঘন্টায় রেট ৪-৫ ডলার (ভালো মানের ওয়েব ডিজাইনার)।. অর্থাৎ প্রতিদিন ৫ ঘন্টা কাজ করলে আপনার প্রতিদিন ২৫ ডলার এবং মাসে ৬০০ ডলার অর্থাৎ প্রায় ৪৮০০০ টাকা

(ফ্রীল্যান্সিং, মার্কেট প্লেস ও ওডেস্ক নিয়ে ৫ম পর্বে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।)

এছাড়া আপনি ওয়েব ডিজাইন এর উপর ব্লগিং করে অর্থাৎ লেখালেখি করে আয় করতে পারেন মাসে ৫০০০০ হাজার টাকার বেশি। এক্ষেত্রে আর্টিকেললিখে বিক্রি করে বা নিজের ব্লগ এ টিউন করে আয় করতে পারেন। নিজের ব্লগ হলে গুগল এডসেন্স থেকে ভালো আয় করতে পারবেন।

এছাড়াও আরো অনেক সুযোগ সুবিধা রয়েছে ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে কাজ করার। আপনি একটি ব্যবসা শুরু করতে পারেন। আপনি বিভিন্য থীম বানিয়ে বিক্রি করতে পারেন। বিভিন্ন ইফেক্ট বানিয়ে বিক্রি করতে পারেন। ওয়েবসাইট লেয়াউট বানিয়ে বিক্রি করতে পারেন। কোন ফরেইন অফিস এ অনলাইন এই চাকরী করতে পারেন।

আপনার একটি মুক্ত স্বাধীন ক্যারিয়ার হবে। একটি উন্নত ক্যারিয়ার হবে। ভার্চুয়াল জগতে একটি অন্য রকম পরিচয় সৃষ্টি হবে। পাবেন প্রচুর সম্মান।

 

যেভাবে হবেন ওয়েব ডিজাইনার?

ওয়েব ডিজাইনার হতে হলে আগে আপনাকে ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কে জানতে হবে। ওয়েব ডিজাইন সম্বন্ধে ভাল মত বুঝতে হবে। আমি আশা করছি এই টিউন এ আমি মোটামোটি বোঝাতে পেরেছি। এবার আপনি ভেবে দেখুন, ওয়েব ডিজাইন কি আপনার ভালো লাগে? এর প্রতি কি আপনার সত্যিকার অর্থে আগ্রহ আছে? এই ভাল লাগা বা আগ্রহের কারণ যদি হয় শুধু আয় করা বা টাকার লোভ তাহলে ওয়েব ডিজাইন শেখার বা ওয়েব ডিজাইনার হবার কথা ভুলে যান। আর যদি সত্যি সত্যি মন থেকে আপনার ওয়েব ডিজাইন ভাল লাগে এবং আগ্রহ আছে। তাহলে আপনি ওয়েব ডিজাইনার হতে পারবেন।

ওয়েব ডিজাইনার হতে হলে আপনাকে সবার আগে নিজেকে প্রস্তুত করে নিতে হবে। নিজেকে কিভাবে প্রস্তুত করবেন সেটা নিয়ে আমি পরের পর্বের একটি টিউনে আলোচনা করেছি।

প্রথমেই আপনাকে কাজ শিখতে হবে। অনেক সময় আর পরিশ্রম দিতে হবে। পরিশ্রম এর কোন বিকল্প নেই। যেকোনো কাজেই আপনাকে সফল হতে হলে অনেক পরিশ্রম করতে হবে। ওয়েব ডিজাইন নিয়ে ঘাটাঘাটি করুন। ওয়েব ডিজাইন নিয়ে যত পারবেন জানার চেষ্টা করুন।

নিজের মনকে স্থির করুন, লক্ষ্য স্থির করুন। আপনার লক্ষ একটাই আপনাকে একজন ভালো এবং সফল ওয়েব ডিজাইনার হতে হবে। ধীরে ধীরে মনোযোগ সহকারে কাজ শিখতে থাকুন, শেখার পাশাপাশি যা শিখেছেন তা নিয়েই কাজ করুন। নিজে নিজে এসব নিয়ে ঘাটাঘাটি করুন, বিভিন্ন ব্লগ পড়ুন, বই পড়ুন, ধৈর্য হারিয়ে ফেলবেন না। ধৈর্য যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ধৈর্য সহকারে কাজ শিখতে থাকুন আর করতে থাকুন।

 

কেন শিখব ওয়েব ডিজাইন?

আমাদের দেশে মূলত লোকজন ‘কোন কাজটা আমি শিখবো’ বা ‘আমি কোন কাজটা পারবো’ এধরনের প্রশ্ন না করে বরং বলে ‘কিভাবে সহজে আয় করবো’ বা ‘এটা শিখে কত টাকা আয় করবো’। যারা আয় কত করবেন বা রাতারাতি কিভাবে আয় করবেন এইসব চিন্তা করেন তাদের জন্য ওয়েব ডিজাইন নয়। যদিও ওয়েব ডিজাইন আসলে উচ্চ আয়ের পেশার মধ্যে অন্যতম কিন্তু আপনি যদি আয়ের কথাটাই মাথায় রেখে এগুতে চান তাহলে আমি বলবো আপনার জন্য ওয়েব ডিজাইন নয়। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন বা প্রোগ্রামিং এই ধরনের পেশা আসলে তাদের জন্য যারা ক্রিয়েটিভ কিছু করতে চান এবং নিজের কাজের মধ্যেই নিজেকে খুজে পেতে চান।ওয়েব ডিজাইন যেহেতু কোডিং এবং প্রোগ্রামিং এ ভরপুর আর প্রোগ্রামিং-এর নেশা ছাড়া প্রোগ্রামিং করা সম্ভব নয় তাই এধরনের কাজ শুধুমাত্র তাদের জন্য যারা এই কাজের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেন। তবে বাস্তবতা হচ্ছে শিখে যাওয়ার পর আপনি অন্য যেকোনো পেশা থেকে এখানেই ভালো আয় করতে পারবেন।

ইন্টারনেট-ভিত্তিক ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ওয়েব ডিজাইনারদের চাহিদা অনেক। মূলত ওয়েব ডিজাইন হচ্ছে একটা ওয়েবসাইটের জন্য বাহ্যিক অবয়ব তৈরি করা। ওয়েব ডিজাইনারের মূল কাজ একটা সাইটের জন্য টেমপ্লেট বানানো বা সাইটটি দেখতে কেমন হবে তা নির্দিষ্ট করা, ডিজাইন করা। ওয়েব ডিজাইনাররা সাধারণত স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট ডিজাইন করে থাকেন। আবার ডায়নামিক বিভিন্ন ওয়েবসাইটের ডিজাইনের অংশটুকুর কাজও তাঁদের করতে হয়।

বতর্মানে ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতে ক্রিয়েটিভ ওয়েবসাইট ডিজাইন করার জন্য প্রতিটি সাইটে ২০০ ডলার থেকে দুই হাজার ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায়। আমাদের দেশে ওয়েবসাইট ডিজাইনের জন্য প্রচুর আগ্রহী শিক্ষার্থী থাকলেও প্রয়োজনীয়সংখ্যক এবং মানসম্মত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান নেই।

অনলাইনে কাজের কোনো শেষ নেই। বরং ওয়েবসাইট ডিজাইনারের সংকট রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের কাজেরও তাই সম্ভাবনা অফুরন্ত। তবে দুঃখজনক হচ্ছে, আমরা চাইলেও ভালো কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা নিতে পারি না। হাতে গোনা কয়েকটি মানসম্মত প্রতিষ্ঠান থাকলেও এগুলো আবার ঢাকাভিত্তিক। তাই মফস্বলের কেউ এ সুযোগগুলো পায় না।

তবে যাঁরা ওয়েবসাইট ডিজাইনিং নিয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চান তাঁরা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করে নিতে পারেন নিজেদের প্রশিক্ষণ ম্যাটেরিয়াল। ইন্টারনেটে শত শত ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে সচিত্র ওয়েবসাইট ডিজাইন শেখার সুযোগ রয়েছে। রয়েছে ভিডিওচিত্রও। আবার ওয়েবসাইট ডিজাইনিং শেখার প্যাকেজসহ বিভিন্ন সিডি পাওয়া যায় অনলাইনে। তবে সেগুলো টাকা দিয়ে কিনতে হয়, যেহেতু আমাদের দেশে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে সবার পক্ষে এসব ভিডিও কিনে দেখা সম্ভব নয়, তাই টরেন্ট সাইটগুলোর মাধ্যমে চাইলে সংগ্রহ করে নিতে পারেন।

ওয়েবসাইট ডিজাইনার হওয়ার জন্য মূলত এইচটিএসএল, সিএসএস, জাভাস্ক্রিপ্ট, জেকোয়েরি, ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটরের কাজ শিখলেই হয়। আর আরেকটু ভালো পারফরম্যান্সের জন্য পিএইচপি বেসিকসহ আরো কয়েকটি প্রোগ্রামে দক্ষতা অর্জনের প্রয়োজন পড়ে। আর এসব বিষয়ে কাজ করতে করতেই অনেক কিছু শেখার এবং দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে ।

ওয়েব ডিজাইন জানতে হলে কি কি শিখতে হবে?

ওয়েব ডিজাইন বিভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতের উপর নির্ভর করে মোটামুটি কয়েক ধরনের ল্যাঙ্গুয়েজ এবং স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে করা হয়ে থাকে আবার শুরুতে ফটোশপ ব্যবহার করে প্রথমে এটার ঘটন নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। এদের মধ্যে বহুল ব্যবহৃত গুলো নিচে আলোচনা করা হল –

১। ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা থাকতে হবে।

২। এইচটিএমএল (HTML): HTML বা HyperText Markup Language জানতে হবে। এটার কাজ মূলত কিছু ট্যাগ ব্যবহার করে ওয়েব পেজ গঠন করা । এগুলো মানুষ পড়তে পারে । প্রোগ্রামিং ভাষা এর মত হাবিজাবি হ-জ-ব-র-ল ভাষা না । এগুলো তে কিছু পরিচিত শব্দ ব্যবহার করা হয় । এইচটিএমএল কে ওয়েবপেজ এর কংকাল বলা হয় । এটি ওয়েবপেজ এর গঠন তৈরি করে ।HTML একটি মার্কআপ ভাষা। ব্রাউজার কোন একটা সাইটের ভিউয়ার যা দেখতে পায় তা এইচটিএমএল দিয়ে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। এটি কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়, বরং যেকোনো প্রোগ্রামিং থেকে অনেক সহজ। এটা এতটাই সহজ যে যেকোনো সাধারন মানুষ যে প্রোগ্রামিং শিখতে চায় না, সেও হাসির ছলে ছলে HTML শিখে নিতে পারে। যেমন আমরা যদি কোন একটা প্যারাগ্রাপ প্রদর্শন করতে চাই তখন এমন লিখতে হয়।

<p>This is a paragraph</p>

অর্থাৎ ‘This is a paragraph’ এই টেক্সট টুকো ব্রাউজার এ একটা প্যারাগ্রাপ হিসেবে প্রদর্শিত হবে।

৩। সিএসএস (CSS): এটাও একটা মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ। CSS বা Cascading Style Sheet জানতে হবে । এটি দিয়ে মুলত ওয়েবপেজ গুলো ডিজাইন করা হয় । শুধু এইচটিএমএল দিয়ে ওয়েবপেজ বানালে তা শুধু কিছু লেখা মাত্র দেখা যাবে। কিন্তু সেই ওয়েবপেজ কে সুন্দর রুপ দিতে হলে আপনার দরকার হবে সিএসএস। এইচটিএমএল হচ্ছে ওয়েব পেজ এর কংকাল আর সিএসএস হচ্ছে তার উপরে মাংস, চামড়া ইত্যাদি। বুঝতেই পারছেন, সিএসএস ছাড়া এইচটিএমএল একটি কংকাল এর মতই দেখাবে । সিএসএস এইচটিএমএল এর গঠনে রুপ দেয় ।এটি নির্ধারণ করে দেয় ব্রাউজার জেই কন্টেন্ট HTML দ্বারা প্রদর্শিত হবে সেটা দেখতে কেমন হবে। অর্থাৎ লেখাটার ফন্ট কত বড় হবে। পাশে কতটুকু জায়গা খালি থাকবে। একটা লেখা থেকে আরেকটার দূরত্ব কতটুকু হবে, এটির রঙ কি হবে বেকগ্রাউন্ড কি হবে, এমনকি সর্বশেষ CSS3 দিয়ে কন্টেন্টে এনিমেশন ও যুক্ত করা যায়। যেমনঃ পূর্বে আমরা একটা HTML paragraph লিখেছিলাম। এখন আমরা চাইলে নিচের কোডটুকু দিয়ে সেই প্যারাগ্রাপ এর টেক্সট এর রঙ লাল করে দিতে পারি।

p {color: red;}

৪। জাভাস্ক্রিপ্ট/জেকুয়েরি (javascript/jQuery):  JavaScript জানতে হবে। এটি একটি ক্লায়েন্ট সাইড স্ক্রিপটিং ভাষা । এটিকে ব্রাউজার এর ভাষা ও বলা হয় । জাভাস্ক্রিপ্ট শিখলে আপনি চলে যাবেন ওয়েব ডিজাইন এর একটি নতুন অধ্যায়ে। ভালো মানের ওয়েব ডিজাইনার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই জাভাস্ক্রিপ্ট শিখতে হবে । এই দুটোকে মূলত প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের কিছুটা কাছাকাছি ধরা যায়। মূলত দু,টি জিনিসের কাজ একি তবে জেকুয়েরি হচ্ছে জাভাস্ক্রিপ্টেরই একটা রূপ যা সাইটে জাভাস্ক্রিপ্ট ব্যবহারকে অনেকটাই সহজ করে। আর এগুলোর কাজ হচ্ছে সাইটটা ইন্টারেক্টিভ করা। অর্থাৎ ভিজিটর একটা বাটনে ক্লিক করলে মেনু ওপেন হবে। অথবা একটা ফর্ম সাবমিট করলে কনফার্মেশন মেসেজ দেখাবে ইত্যাদি।

৫। Adobe photoshop: এটা তো সবাই জানেন এটা দিয়ে কি করে! এখানে যে মুল কাজটি শিখতে হবে তাহল পিএসডি থেকে এইচটিএমএল টেমপ্লেট (PSD to HTML) বানানো তবে কোন ওয়েব সাইটের ব্যানার, ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ, বাটন ইত্যাদি create করতেও এটা লাগবে!

৬। HTML5 ও CSS3 জানতে হবে। এগুলো মূলত যথাক্রমে HTML ও CSS এর নতুন ভার্সন। এগুলো শিখতে হলে অবশ্যই প্রথমে HTML ও CSS সম্বন্ধে জানতে হবে।

৭। এছাড়া সিএসএস ফ্রেমওয়ার্ক, রেস্পন্সিভ ডিজাইন ইত্যাদি শিখতে হবে ।

 

কোথায় কাজ করবেন?

ফ্রিলান্স মার্কেটপ্লেসে ওয়েব ডিজাইন এবং ফ্রন্ট-ইন্ড-ওয়েব ডেভেলপমেন্টের হাজারো কাজ পাওয়া যায় এবং এই ধরনের কাজে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তুলনামূলক কম তবে চাহিদা বেশি। তাই সহজে কাজ পাবেন এবং এধরনের কাজের দামও বেশি। একজন সাধারনমানের ফ্রিলান্সারের ঘণ্টাপ্রতি কাজ করার রেট হয় ২ ডলার, কিন্তু একজন ওয়েব ডিজাইনার এর ঘণ্টাপ্রতি রেট শুরুতেই ১০ বা ১২ ডলার হয়ে থাকে। তবে অনেকের ধারনা ওয়েব ডিজাইন বা ডেভেলপমেন্ট শিখলে শুধু ফ্রিলান্স করতে হবে এবং না করলে আয় বন্ধ, তাদের জন্য বলছি, themeforest.net এবং এধরনের অনেক মার্কেট আছে যেখানে ওয়েব টেম্পলেট এবং ওয়েব ইলিমেন্ট খুবই ভালো দামে বিক্রি করা যায়। এক্ষেত্রে আপনি আপনার একটি ডিজাইন করা টেম্পলেট বহুবার বিক্রি করতে পারবেন এবং এবং কোয়ালিটি ভালো হলে প্রতিমাসে একেকটা টেম্পলেট এর আয় দিয়েই আপনি রাজার হালে চলতে পারবেন।

কে শিখতে পারবে ওয়েব ডিজাইন?

যে কেউ নূনতম শিক্ষিত, যার কম্পিটার এর বেসিক নলেজটুকু জানা আছে । এর জন্য এমনটি নয় যে অনেক ইংলিশ ভালো জানতে হবে কিংবা অনেক সফটওয়্যার জানতে হবে।

ওয়েব ডিজাইন এর সম্ভাবনাময় দিক গুলো :

একজন ভালো ওয়েব ডিজাইনার এর চাহিদা অনেক। ওয়েব ডিজাইনার হয়ে কখনো চাকরির জন্য মাসের পর মাস বেকার বসে থাকতে হয় না। আসলে বসে থাকার প্রয়োজন’ও পরে না কারণ এটা আন্তর্জাতিক মানের একটি পেশা। অনলাইন এ ফ্রিলান্সিং কিংবা অফসাইট এ কন্ট্রাকচুয়াল কাজের অনেক সুযোগ এখানে আছে। বছর বছর প্রমোশন না থাকলেও, বেতনের বৃদ্ধির হারটা অনেক উর্ধগতি। এই পেশায় অভিজ্ঞতা দিয়ে মুল্য বিচার করা হয়। যার যত বেশি কাজের অভিজ্ঞতা বাড়তে থাকে তার যোগ্যতাও তত বেশি।

 

সফল ওয়েবসাইট তৈরীর জন্য প্রয়োজনীয় রেসিপি:

সন্দেহ নেই, জীবনের সর্বক্ষেত্রে, আমরা বেশির ভাগ মানুষই সফলতা চাই। সফলতার সংজ্ঞা একেকজনের কাছে একেক রকম হতে পারে, তবে আপনি যে কাজই করুন না কেন সে কাজটি আপনাকেসহ আপনার চারপাশে যারা আছে তাদেরকেও আনন্দ দেবে এবং এটা নিঃসন্দেহে একটা বড় সফলতা। এবার ওয়েব সাইটের কথায় আসি। ধরুন আপনি একটি ওয়েব সাইট পরিচালনা করেন। আপনার একান্তই ব্যক্তিগত সাইট অথবা আপনার প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার সাইট। আপনি নিশ্চয়ই চাইবেন এ ওয়েব সাইটটটি সবার কাছে আদরণীয় হোক, পরিণত হোক সবার গন্তব্যে? অন্তত যেসব মানুষের উদ্দেশে আপনি এটি পরিচালনা করছেন তাদেরতো বটেই! আগেভাগেই স্বীকার করে নেয়া ভাল, এটা সহজ কোনো কাজ নয়। তবে অসম্ভব কিছুও নয়। আসুন আমরা জেনে নিই, কোন কোন কৌশল অবলম্বন করলে আপনার ওয়েব সাইটটিকে করতে পারবেন সবার কাছে জনপ্রিয়, আদরণীয় ও গ্রহণীয়। একটা একটা করে শুনি ওয়েব সফলতার রেসিপি’গুলোর কথা।

১। আপনার কাজের জন্য নিখাদ আবেগ
একটা ওয়েব প্রজেক্ট দাঁড় করাতে সময় ও নিষ্ঠা লাগে। বহু নির্ঘুম রাত ও দিনের পরিশ্রমে তিল তিল করে দাঁড়ায় এটি। এতে সম্পৃক্ত আছে অসংখ্য ছোটবড় কাজ যেগুলো মনের আবেগ আর সবটুকু আন্তরিকতা ঢেলে দিয়ে করতে হয়। এ কারণেই কাজটার পেছনে নিজের আবেগকে পুরোপুরি ঢেলে দিতে হবে। নিজেকে প্রশ্ন করুন সে আবেগ, আন্তরিকতা আর সিরিয়াসনেস আপনার আছে কিনা।

২। বিষয় সম্বন্ধে স্পষ্ট জ্ঞান
আপনি একটা ইমেইল অ্যাপ্লিকেশন অথবা একটা ওয়েব প্রকাশনা, যাই তৈরি করুন না কেন, আপনার বিষয়ের আগাপাশতলা সম্বন্ধে আপনার জ্ঞান থাকতে হবে। হিসাবটা সহজ: আপনার বিষয়ে আপনার যথেষ্ট জ্ঞান থাকাটা আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরির জন্য জরুরি। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ওয়েবের বিভিন্ন সম্পদ ও সেবা সম্বন্ধে খুবই সন্দেহপরায়ন থাকেন। আপনি যে বিশ্বাসযোগ্য এটি যদি তাদের কাছে প্রমাণ করতে পারেন তাহলে আর কিছু দেখতে হবে না। কিন্তু এই বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরির জন্য আপনার বিষয়জ্ঞান পরিপূর্ণ হতে হবে।

৩। আপনার ইন্ডাস্ট্রিতে কী হচ্ছে খেয়াল রাখুন
আপনার চারপাশে কি হচ্ছে না হচ্ছে সেদিকে নজর রাখা খুবই জরুরি। এটা হচ্ছে নিজের বিষয় বা ক্ষেত্রে নিজেকে আপডেটেড রাখারই একটি অংশ এবং আপনার অডিয়েন্সও আপনার কাছে এটাই চায়। একটা জিনিস মনে রাখতে হবে। ওয়েব খরস্রোতা নদীর মতই নয়িত পরিবর্তনশীল। পরিবর্তনের বন্যায় ঘটে চলা নতুন নতুন ঘটনা সম্বন্ধে নিজেকে অবহিত রাখতে হবে। একদিন আগের তথ্যও বাতিল বলে প্রত্যাখ্যান করতে বাধবে না অনেকেরই। এ কারণে নিজেকে আপটুডেট-ই কেবল নয়, আপ-টু-দ্য-সেকেন্ড’রাখুন।

৪। মন দিয়ে অডিয়েন্সের কথা শুনুন
আপনার সাইটের ব্যবহারকারী বা ভিজিটরদের অনেক কিছুই বলার আছে। আপনার উন্নতির সঙ্গে তাদের উন্নতিও একসূত্রে বাঁধা। তাদের চাহিদা পূরণে আপনি সবসময়ই সচেষ্ট থাকেন এটাই তারা চান। ইন্টারনেটে কারো সমালোচনা করা সহজ বলে এখানে প্রচুর সমালোচনাকারীর খোঁজ মেলে। কিন্তু এদের মধ্যেই এমন অনেকে আছেন যাদের পরামর্শ ও আইডিয়াগুলো আপনার উপকারই করবে, আপনি যদি নিষ্ঠার সঙ্গে সেগুলো মেনে চলেন।

৫। আপনার ইন্ডাস্ট্রির মানুষজনের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ান
ওয়েব আমাদের সুযোগ করে দেয় দূর দূরান্তেও মানুষের কাছাকাছি আসার। একটা কথা বুঝতে হবে, সংযোগ মানেই উৎপাদনশীলতা, যোগাযোগ মানেই প্রবৃদ্ধি ও প্রগতি। কাজেই যত বেশি সম্ভব মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও মিথস্ক্রয়িা বাড়াতে হবে। বিশেষ করে আপনি যে সেক্টরে কাজ করেন সে সেক্টরের বভিন্নি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান, তাদেও অবস্থান যেখানেই হোক না কেন, তাদের কাছে আপনার পৌঁছাতে হবে। সে আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী বা বন্ধু যাই হোক না কেন। মনে রাখতে হবে, একজন আরেকজনের বিপক্ষে নয়, বরং একজন আরেকজনের সঙ্গে মিলে কাজ করলেই সবার জন্য সুবিধা। অন্যান্য ওয়েব সাইটের ডিসকাশন ফোরামে অংশ নিন, কারো সঙ্গে দলবদ্ধ হয়ে কাজ করার সুযোগ আছে কিনা খয়োল রাখুন। যোগাযোগের সামান্যতম সুযোগকেও অবহেলা করবেন না।

৬। ঝুঁকি নিন
অনেক ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধির অন্যতম বাধা হচ্ছে পরিবর্তনের ভয়। অনেকেই যে কোনো পরিবর্তনকে ভয় পান এবং এড়িয়ে চলতে চান। কিন্তু পরিবর্তনের প্রতি এই ভয় উদ্ভাবনের স্রোতকে আটকে রাখে। ওয়েবের দুনিয়াটাই এমন যে এখানে ঝুঁকি নিতে হয়। সব সময়, সব ক্ষেত্রে ঝুঁকি এড়ানোর মানসিকতা ওয়েব প্রজেক্টের সফলতার জন্য ক্ষতিকর। ওয়েবের ভুবনে যেখানে সবকিছুই চোখের পলকে পরিবর্তিত হয়ে যায় সেখানে কিছু একটাতে আটকে থাকার মানসিকতা আপনাকে অনেক পিছিয়ে দেবে। কাজেই প্রয়োজন হলে ঝুঁকি নিতে দ্বিধা করবেন না। এ ঝুঁকি আপনার জন্য বিশাল কোনো পুরস্কারও নিয়ে আসতে পারে।

৭। সঠিক সময় ব্যবস্থাপনা করুন
সময় এবং কাজের সঠিক ব্যবস্থাপনা যে না করে আগে বা পরে তাকে পস্তাতেই হয়। আপনার ওয়েব প্রজেক্টের গতিশীলতা বা প্রবৃদ্ধি নির্ভর করছে আপনি কতটা ভালভাবে আপনার সময়, শ্রম, সম্পদ আর কাজের ব্যবস্থাপনা করলেন। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার কল্যাণে অনেক কঠিন বিপদকেও সামলানো যায়, সামান্য সম্পদও অসামান্য বলে বিবেচিত হয়। মনে রাখবেন, আপনার এবং আপনার কাজের বাধাহীন প্রবৃদ্ধির অন্যতম নিয়ামক হচ্ছে সময়। আপনার বাজেট এবং প্রযুক্তির মত এটাকে বড় একটি সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

৮। চোখ কান খোলা রাখুন
অলসতা এবং অবহেলা যে কোনো সময় মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে। চোখ কান খোলা রাখুন। বিপদের আশঙ্কাকে যেমন অবহেলা করবেন না, তেমনি সুযোগের সম্ভাবনাকেও নয়। প্রবৃদ্ধির অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে ছোটখাট সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বড় সুযোগ সৃষ্টি করা। বিভিন্নি প্রকাশনায় লেখালেখি করুন, প্যানেলে যোগ দিন, ব্লগ- এ লিখুন, অন্যান্য কর্মকাণ্ডে অংশ নিন। এরইমধ্যে নানারকম সুযোগ পেয়ে যাবেন আপনার নিজেকে এবং নিজের কাজকে প্রমোট করার। কোনো কিছুকেই অবহেলা করবেন না, তাহলে আর আফসোস করে পরে বলতে হবে না: আহা, আমিওতো ওটা করলে পারতাম!

 

নতুন ওয়েবসাইট তৈরির ক্ষেত্রে আবশ্যক ১০টি বিষয় সম্পর্কে জেনে নিন:

একটি ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট হয়ে গেলে সেটির ডিজাইন কিংবা কনটেন্টের পরির্বতন করা বেশ ঝামেলার। তাই ওয়েবসাইট তৈরি করার শুরুতেই বেশ কিছু বিষয় ভালোভাবেই যুক্ত করা উচিত। এসব বিষয়গুলো ছাড়া ওয়েবসাইট অসম্পূর্ণ মনে হয়। এখানে নতুন ওয়েবসাইট তৈরির ক্ষেত্রে আবশ্যক ১০টি বিষয় সম্পর্কে জানানো হলো।

লোগো
একটি লোগো সংশ্লিষ্ঠ প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্লগের পরিচয় বহন করে। প্রতিনিয়তই লোগো পাল্টানো সম্ভব না। তাই দায়সারাভাবে টেক্সট, লোগো মেকার অথবা ক্লিপআর্টের মাধ্যমে লোগো না তৈরি করে, ভালোমানের ডিজাইনার দিয়ে একটি সুন্দর ও প্রফেশনাল লোগো তৈরি করতে হবে। সেটি সাইটের হেডারে যথাযথ স্থানে বসাতে হবে, যাতে ভিজিটররা সহজেই লোগোটি দেখতে পারে।

ট্যাগলাইন
সংক্ষিপ্ত কথার মাধ্যমে ঐ ওয়েবসাইটটির সেবা বা কি ধরণের ওয়েবসাইট তা বোঝানোর জন্য ট্যাগলাইন ব্যবহার করা হয়। তাই একটি ছোট, সহজেই আকর্ষন করে এবং যাতে একজন ভিজিটার ট্যাগলাইন দেখেই সাইটি সম্পর্কে ধারণা করতে পারে এমন ট্যাগলাইন ব্যবহার করতে হবে।

পোর্টফোলিও
এটি মূলত ব্যক্তিগত কিংবা সেবাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে যুক্ত করতে হয়। তাই আপনার কিংবা আপনার প্রতিষ্ঠানের আগের কিছু কাজ বা সেবা পোর্টফোলিও হিসেবে যুক্ত করতে হবে। আপনি একজন প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার হলে আপনার ওয়েবসাইটে আগের করা কিছু কাজের নমুনা পোর্টফোলিও হিসেবে যুক্ত করতে পারেন। এছাড়া কোম্পানির ওয়েবসাইট হলে ঐ কোম্পানির ভালো কিছু ক্লায়েন্টের জন্য করা কাজ বা সেবা যুক্ত করা যেতে পারে।

সার্ভিস পেইজ
আপনি কিংবা আপনার প্রতিষ্ঠান কি ধরণের সেবা দিচ্ছে তা সার্ভিস পেইজে যুক্ত করতে হবে। কাঙ্খিত ক্রেতা যাতে ওয়েবসাইট দেখেই আপনার সেবা নিতে আগ্রহী হয় তেমনিভাবে সেবাগুলোর বিবরণ দিতে হবে। আপনার সেবা বা পণ্য নিলে ক্রেতারা কেনো লাভবান হবেন সেটি বর্ণনা দিতে হবে।

অ্যাবাউট আস পেইজ
আপনি কিংবা আপনার কোম্পানি কি, আপনার কোম্পানির মিশন, ভিশন, অতীত, আপনার কোম্পানির সদস্যদের সম্পর্কে এখানে তুলে ধরতে হবে। এককথায় আপনার কিংবা কোম্পানির সম্পর্কে যাতে এই পেইজ থেকে পুরো ধারণা দেওয়া যায় সেভাবে উপস্থাপন করতে হবে অ্যাবাউট/অ্যাবাউট আস পেইজ।

কনট্যাক্ট পেইজ
ভিজিটর আপনার কিংবা কোম্পানির ওয়েবসাইট দেখে যোগাযোগ করার ইচ্ছা পোষন করতে পারে। তাই কনট্যাক্ট পেইজে আপনার কিংবা আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা, ইমেইল, ফোন নাম্বারসহ যোগাযোগের অন্যান্য মাধ্যমে যেমন ফেইসবুক পেইজ/আইডি, টুইটার অ্যাকাউন্ট, স্কাইপ অ্যাকাউন্ট ইত্যাদি যুক্ত করতে হবে। সম্ভব হলে গুগল ম্যাপের মাধ্যমে ঠিকানা দেখিয়ে দেওয়া যেতে পারে। এছাড়া ভিজিটর যাতে সহজেই মেইল অথবা মেসেজ পাঠাতে পারে তার জন্য একটি কনট্যাক্ট ফরমও বসানো যেতে পারে।

টেস্টিমোনিয়াল
ব্যবসায় কিংবা সেবার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনার পুরাতন ক্লায়েন্ট আপনার কাজ, পণ্য বা সেবা নিয়ে কেমন উপকৃত হয়েছে, তাদের মন্তব্য কি এটা টেস্টিমোনিয়াল পেইজে যুক্ত করতে হবে। আপনার সন্তুষ্ঠ ক্লায়েন্টের এমন মন্তব্যের মাধ্যমে আরও নতুন ক্লায়েন্ট পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

সাইটম্যাপ
একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে সম্পূর্ণরুপে সপে দেওয়ার জন্য সাইটম্যাপ জরুরী। এর ফলে সার্চ ইঞ্জিন সহজেই আপনার ওয়েবসাইটের সকল পেইজ, পোস্ট দ্রুত ইনডেস্ক করতে পারবে ও সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারকারীদের কাছে তুলে ধরতে পারবে। ওয়েবসাইটের ফুটার কিংবা উপরের মেনুতে একটি পেইজের মাধ্যমে সাইটম্যাপ যুক্ত করা যেতে পারে।

সোশ্যাল মিডিয়া লিংক
হালের যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ফেইসবুক, টুইটার, লিংকডইন, ইউটিউবের কোনও জুড়ি নেই। আপনার কিংবা আপনার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অনেকেই আপডেটের থাকতে চাইবেন। আপনিও চাইবেন যাতে আপনার এসব সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভিজিটররা সযুক্ত থাকতে পারে, তাদের কাছে আপনার সেবা পৌছে যাক। এজন্য সাইটের হেডার, ফুটার অথবা সাইডবারে সোশ্যাল মিডিয়া লিংকগুলো যুক্ত করতে হবে। মনে রাখতে হবে এগুলোতে যাতে সহজেই ভিজিটর দেখতে ও ক্লিক করতে পারেন।

সার্চ সুবিধা
বিশেষ করে আপনার সাইটটি যদি একটি ব্লগ, নিউজপেপার কিংবা কনটেন্ট ভিত্তিক ওয়েবসাইট হয় সেক্ষেত্রে সার্চ সুবিধা যুক্ত করতে হবে। ভিজিটর হয়তোবা পুরাতন কোনও পোস্ট দেখতে চাইবেন। সেক্ষেত্রে একটার পর একটা পেইজ কিংবা পোস্ট ক্লিক করে খুঁজে পাওয়া ভোগান্তিকর। তাই ভিজিটররা যাতে সহজেই একটি লেখা বা কনটেন্ট খুঁজে পেতে পারে তার জন্য হেডারে কিংবা সহজেই দেখা যায় এমন স্থানে সার্চ অপশন যুক্ত করতে হবে।

 

ওয়েব ডিজাইন শিখতে যা প্রয়োজন:

  • ইন্টারনেট কানেকশসহ একটি কম্পিউটার
  • কম্পিউটার ও ইন্টারনেট এর প্রাথমিক ধারণা
  • একটি হেডফোন (ল্যাপটপ হলে হেডফোন আবশ্যক নয়।

 

কিভাবে শিখবেন ওয়েব ডিজাইন :

অনলাইন এ ওয়েব ডিজাইন শিখার অনেক মাধ্যম রয়েছে। তারমধ্যে অন্যতম হচ্ছে https://eshikhon.com

eshikhon.com  বিশেষ সুবিধা সমুহ

সাধারণত বাজারে কিংবা অন্যান্য ওয়েবসাইটে যে রেকর্ডিং টিউটোরিয়াল কিংবা ভিডিও কোর্সগুলো পেয়ে থাকি, সেগুলো বেশির ভাগই অনলাইন/ইউটিউব দেখে দেখে অদক্ষ ব্যক্তিরা ব্যবসার জন্য বানান। ২ মিনিট দেখে ২ মিনিট রেকর্ড করেন। অনেক ক্ষেত্রে পুর্নাঙ্গভাবে সবকিছু দেওয়াও থাকে না। কিন্তু ইশিখন.কম এর ভিডিওগুলো আমাদের স্বনামধন্য শিক্ষকদের লাইভ ক্লাসের ভিডিও, এর সাথে আমাদের বিগত ব্যাচের শিক্ষার্থীদের প্রশ্নোত্তর পর্বও রয়েছে এবং প্রতিটি বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখানো হয়েছে, ফলে আপনি পুর্নাঙ্গভাবে শিখতে সক্ষম হবেন।

$ লাইভ ক্লাস মিস করলে পরের দিন কোর্সের ভেতর উক্ত ক্লাসের ভিডিও রেকর্ডিং ও আলোচিত ফাইল সমুহ পাবেন।

$ লাইভ ক্লাসের সম্পূর্ণ ফ্রি ভিডিও কোর্স, ( শুধুমাত্র এই ভিডিও কোর্সই অনেক প্রতিষ্ঠান হাজার হাজার টাকায় বিক্রি করে।)

$ প্রতিটি ক্লাস শেষে এসাইনমেন্ট জমা দেওয়া। (প্রতিটি এসাইনমেন্ট এর জন্য ১০ মার্ক)

$ প্রতিটি ক্লাসের লাইভ ক্লাসের পাশাপাশি প্রাকটিজ ফাইল পাবেন এবং কনটেন্ট পাবেন।

$ প্রতিটি ক্লাসের প্রথম ১৫ মিনিট আগের ক্লাসের সমস্যাগুলো সমাধান হবে, পরের ১ ঘন্টা মুল ক্লাস শেষ ১৫ মিনিট প্রশ্নোত্তর পর্ব

$ প্রতিটি ক্লাসের শেষে ১০ নাম্বারের মডেল টেস্ট। এই মডেল টেস্ট মার্ক এবং এসাইমেন্ট মার্ক ও নিয়মিত উপস্থিতির উপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে আপনার সার্টিফিকেট এর মান নির্ধারণ হবে।

$ কোর্স শেষে সার্টিফিকেট পাবেন।

$ লাইভ ক্লাস সমুহের ডিভিডি পাবেন।

eshikhon.com  কোর্স শেষে আয়ের ক্ষেত্রসমুহ:

$ আপওয়ার্ক, ফাইভর

$ এনভাটো মার্কেকে টেমপ্লেট বিক্রি।

$ ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে যেকোন আইটি কম্পানিতে চাকরি করতে পাবেন।

$ আপওয়ার্ক ও ফাইবারে ওয়েব ডিজাইন কাজ করতে পাবেন।

 

আজ এই পর্যন্তই । আগামিতে ওয়েব ডিজাইন ক্যারিয়ার এর উপর টিপস, ট্রিক্সস নিয়ে আলোচনা করব ইনশাল্লাহ।

 

 

আরো পড়ুন:

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কি? কিভাবে শিখবেন ওয়েব ডেভেলপমেন্ট?

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি? কিভাবে শিখবেন গ্রাফিক্স ডিজাইন?

   
   

0 responses on "ওয়েব ডিজাইন কি? কিভাবে শিখবেন ওয়েব ডিজাইন?"

Leave a Message

Your email address will not be published.